এইচভি নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ: ০৬:৪৭, ১ নভেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ০৬:৪৮, ১ নভেম্বর ২০২৬
সংগৃহীত
শনিবার (৩১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় কক্সবাজার শহরের পাবলিক লাইব্রেরির শহীদ সুভাষ হলে নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ এবং সামাজিক অপরাধ দমনবিষয়ক এক সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
অভিভাবক ও শিক্ষকদের উদ্দেশে ডিআইজি বলেন, সন্তানদের প্রতি পারিবারিক ও প্রাতিষ্ঠানিক নজরদারি বাড়াতে হবে। যাদের বই-খাতা নিয়ে পড়াশোনায় ব্যস্ত থাকার কথা, তাদের অনেককে বিকেলে রাস্তায় ঘুরে বেড়াতে এবং বিভিন্ন ধরনের অঙ্গভঙ্গি ও শিস দিতে দেখা যায়। পারিবারিক শাসন ও নিয়ন্ত্রণের অভাবেই কিশোর গ্যাংয়ের মতো অপরাধী চক্র গড়ে উঠছে।
তিনি বলেন, কিশোর গ্যাং নির্মূলে পুলিশ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দেশ থেকে এ ধরনের অপরাধী চক্র সম্পূর্ণ নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত পুলিশের প্রতিরোধমূলক অভিযান অব্যাহত থাকবে।
পুলিশ সুপার এএনএম সাজেদুর রহমানের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য দেন পৌর বিএনপির সভাপতি রফিকুল ইসলাম চৌধুরী, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মাবুদ, কক্সবাজার প্রেসক্লাবের সভাপতি মাহবুবর রহমান এবং জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি রফিকুল ইসলাম।
বক্তারা বলেন, কক্সবাজার শহরে নানা ধরনের অপরাধ সংঘটিত হয়। এসব অপরাধ নিয়ন্ত্রণে জেলা পুলিশ সম্প্রতি কার্যকর পদক্ষেপ নিয়েছে। অপরাধ দমনে পুলিশের পাশাপাশি রাজনৈতিক, সামাজিক সংগঠনসহ সর্বস্তরের মানুষকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।
কক্সবাজার জেলা পুলিশের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ সমাবেশে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।