আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ০৬:১৭, ১ নভেম্বর ২০২৬
সংগৃহীত
জার্মানির ৩৪টি শহরে একই দিনে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হয়। শিক্ষা খাতে বিনিয়োগ বাড়ানো, জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো, বাধ্যতামূলক সামরিক নিয়োগের বিরোধিতা এবং সামাজিক বৈষম্য কমানোর দাবিতে শনিবার এসব কর্মসূচিতে কয়েক হাজার তরুণ অংশ নেন।
ফ্রাঙ্কফুর্টে অন্তত দুটি দোকানে লুটপাট চালানো হয়। এ সময় আরও কয়েকটি দোকানের জানালার কাচ ভাঙচুর করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ কাজ করে। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, শহরের কেন্দ্রস্থলে জরুরি সেবায় নিয়োজিত কর্মীদের লক্ষ্য করে পেট্রলবোমা নিক্ষেপ করা হয়েছে। সাধারণ মানুষকে ওই এলাকা এড়িয়ে চলার আহ্বান জানানো হয়।
আয়োজকদের প্রত্যাশা ছিল, দেশজুড়ে ১ লাখ ৮২ হাজার মানুষ বিক্ষোভে অংশ নেবেন। তবে ফ্রাঙ্কফুর্ট, মিউনিখ ও বার্লিনে পুলিশের হিসাবে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা ছিল প্রায় ১৮ হাজার। আয়োজকদের ওয়েবসাইটে নিবন্ধিত অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা ছিল প্রায় ৩৬ হাজার।
জার্মান কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অধিকাংশ কর্মসূচি শান্তিপূর্ণভাবে পালিত হলেও কিছু উগ্রপন্থী গোষ্ঠী আন্দোলনকে সহিংসতায় রূপ দেওয়ার চেষ্টা করতে পারে। হামবুর্গে কয়েকটি ব্যারিকেডে আগুন দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।
আন্দোলনকারীদের অন্যতম দাবি, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ বাড়ানো এবং তরুণদের ওপর অর্থনৈতিক চাপ কমানো। একই সঙ্গে বাধ্যতামূলক সামরিক সেবার প্রস্তাবের বিরোধিতা করছেন তারা।
তবে আন্দোলনটি প্রকৃত অর্থে তরুণদের নেতৃত্বে পরিচালিত হচ্ছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। জার্মানির জাতীয় শিক্ষার্থী সংগঠন বিএসকে এই উদ্যোগ থেকে নিজেদের দূরে রেখেছে। আগামী ২০ নভেম্বর আলাদা কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছে সংগঠনটি।