ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

২ আশ্বিন ১৪৩৩, ০৪ রবিউস সানি ১৪৪৮

মোবাইল স্ক্রিনের আসক্তি কমাতে মেনে চলুন ৬ ধাপ

জীবনধারা ডেস্ক

প্রকাশ: ২২:৩১, ৮ মে ২০২৬ | আপডেট: ০৪:২৪, ৫ জুন ২০২৬

মোবাইল স্ক্রিনের আসক্তি কমাতে মেনে চলুন ৬ ধাপ

ফাইল ফটো

আধুনিক জীবনের নীরব সমস্যার নাম মোবাইলের ক্রিনের প্রতি আসক্তি। সকালে ঘুম থেকে জেগেই মোবাইল ফোন হাতে নেওয়া, মেসেজ, নোটিফিকেশন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে স্ক্রল করাই যেন প্রধান কাজ হয়ে দাড়িয়েছে। যেহেতু কাজ, বিনোদন ও যোগাযোগসবকিছুই এখন স্ক্রিনকেন্দ্রিক, তাই দিন শেষে চোখ জ্বালা, মাথা ভার আর অস্থিরতা নিত্যসঙ্গী হয়ে গেছে। 

প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রয়োজনীয় উপকারিতা গ্রহণ ছাড়া মোবাইলের স্ক্রিন আসক্তি মানবজীবনে নানা সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। তবে প্রযুক্তি থেকে পুরোপুরি দূরে থাকা সম্ভব নয়। সচেতনমূলক কিছু অভ্যাস গড়ে তুললে মোবাইল স্ক্রিনের আসক্তি কমানো সম্ভব। 

যেভাবে মোবাইল স্ক্রিনের আসক্তি ছাড়বেন

দিনের শুরু হোক স্ক্রিন ছাড়া: ঘুম থেকে উঠেই ফোন না নিয়ে কিছুটা সময় নিজের জন্য রাখুন। জানালার আলো, হালকা ব্যায়াম বা এক কাপ চা—দিনের শুরুটা শান্তভাবে করলে মনও স্থির থাকে।

কাজের মাঝে ছোট বিরতি জরুরি: দীর্ঘক্ষণ স্ক্রিনে চোখ রাখলে চোখ ও মস্তিষ্কে চাপ পড়ে। তাই প্রতি ৩০-৪০ মিনিট পর কয়েক মিনিট বিরতি নিয়ে চোখ বিশ্রাম দিন বা একটু হাঁটাহাঁটি করুন।

নোটিফিকেশনের নিয়ন্ত্রণ নিন: অপ্রয়োজনীয় অ্যাপের নোটিফিকেশন বন্ধ রাখুন। এতে মনোযোগ বাড়বে এবং অকারণ মানসিক চাপ কমবে।

ঘুমের আগে স্ক্রিন এড়িয়ে চলুন: ঘুমানোর অন্তত এক ঘণ্টা আগে মোবাইল বা ল্যাপটপ ব্যবহার বন্ধ রাখুন। নীল আলো ঘুমের মান নষ্ট করে। এর বদলে বই পড়া বা হালকা গান শোনা যেতে পারে।

বাস্তব সম্পর্ককে গুরুত্ব দিন: অনলাইনের পাশাপাশি পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে সরাসরি সময় কাটানো মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

‘নো-ডিভাইস’ জোন তৈরি করুন: বিছানা বা ডাইনিং টেবিলের মতো কিছু জায়গা নির্ধারণ করুন, যেখানে কোনো ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহার করা হবে না। এতে জীবনে ভারসাম্য তৈরি হবে।

প্রযুক্তি আমাদের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হলেও সচেতনভাবে ব্যবহারের মাধ্যমে আসক্তি কমিয়ে এনে সুস্থ ও ভারসাম্যপূর্ণ জীবনযাপন সম্ভব।

আরও পড়ুন