এইচভি নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ: ১১:৫৯, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সংগৃহীত
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে টিসিবির পণ্য বিক্রয় কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন বাণিজ্যমন্ত্রী।
অনুষ্ঠানে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের সরবরাহব্যবস্থা ও সাপ্লাই চেইনের মধ্যে এক ধরনের বৈষম্য রয়েছে। এর ফলে বাজারে এখনো কাঙ্ক্ষিত স্থিতিশীলতা আসেনি। বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে টিসিবি ভর্তুকির মাধ্যমে যে কার্যক্রম পরিচালনা করছে, তা দেশের মানুষের জন্য উপকারী হবে।
তিনি বলেন, টিসিবির সুবিধাভোগীদের তালিকা যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে ৫৯ লাখ মানুষকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এর ফলে প্রকৃত সুবিধাভোগীদের কাছে সরকারি সহায়তা আরও কার্যকরভাবে পৌঁছানো সম্ভব হবে বলে জানান তিনি।
টিসিবির কার্ড ডিজিটাল করার বিষয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, কার্ডের ডিজিটাল রূপান্তরের ফলে সরকারের প্রায় ৩০০ থেকে সাড়ে ৩০০ কোটি টাকা সাশ্রয় হবে। একই সঙ্গে এ ব্যবস্থার মাধ্যমে সুবিধাভোগীদের সেবা গ্রহণের প্রক্রিয়াও আরও সহজ ও স্বচ্ছ হবে।
তিনি বলেন, কোনো সুবিধাভোগীর টিসিবির কার্ড হারিয়ে গেলে কিংবা নষ্ট হয়ে গেলেও যাতে তিনি পণ্য পাওয়া থেকে বঞ্চিত না হন, সে ব্যবস্থা করা হবে। ডিজিটাল পদ্ধতি চালু হলে কার্ডের ওপর নির্ভরশীলতা কমবে এবং সুবিধাভোগীরা সহজে তাদের প্রাপ্য পণ্য নিতে পারবেন।
ডিলার নিয়োগের বিষয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, টিসিবির ডিলার নিয়োগে অনলাইন ব্যবস্থা চালু করা হবে। প্রয়োজনের তুলনায় আবেদনকারীর সংখ্যা বেশি হলে ডিজিটাল পদ্ধতিতে লটারি করে ডিলার নির্বাচন করা হবে।
বাণিজ্যমন্ত্রী আরও জানান, আগামী চার থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে টিসিবির ভর্তুকি শূন্যে নামিয়ে আনার লক্ষ্য রয়েছে। তবে বাজারে প্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহ ও মূল্যস্থিতি বজায় রাখতে টিসিবির কার্যক্রমকে আরও আধুনিক ও কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।