এইচভি নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ: ০৭:০৮, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ১৩:২৪, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সংগৃহীত
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে পীরগঞ্জের দিনাজপুর সীমান্ত পয়েন্টে আনুষ্ঠানিকভাবে বিজিবির কাছে লাশ হস্তান্তর করা হয়। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে গভীর রাতে লাশ স্বজনদের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।
নিহত আসাদুল হক পীরগঞ্জ উপজেলার ইন্দ্রইল গ্রামের আব্দুল ওয়াজেদ আলীর ছেলে। তিনি দুই মেয়ে ও এক ছেলের বাবা ছিলেন। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ছিলেন আসাদুল।
গুলিতে আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি
স্থানীয় সূত্র ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, শনিবার ভোরে পীরগঞ্জ উপজেলার চান্দেরহাট বিওপির আওতাধীন সীমান্ত এলাকা দিয়ে চারজনের একটি দল ভারতে প্রবেশের চেষ্টা করে। এ সময় বিএসএফের টহলদল তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এতে আসাদুলসহ কয়েকজন গুলিবিদ্ধ হন।
পরে বিএসএফ সদস্যরা আসাদুল, মোস্তাকিম (৩২) ও উদা রায়কে (৩৪) আটক করে ভারতের কালিয়াগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আসাদুলের মৃত্যু হয়।
আটক মোস্তাকিম একই এলাকার ওয়াহেদ আলীর ছেলে এবং উদা রায় মুনষা নারায়ণের ছেলে। তাদের দুজনকে ভারতের রায়গঞ্জ থানার পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
এদিকে ঘটনার পর থেকে আইয়ুব আলী নামে আরও এক যুবক নিখোঁজ রয়েছেন বলে বিজিবি ও স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে।
তিন দফা পতাকা বৈঠকের পর লাশ হস্তান্তর
বিজিবির লেফটেন্যান্ট কর্নেল আবদুল্লাহ আল মঈন হাসান জানান, ঘটনার খবর পাওয়ার পর বিএসএফের সঙ্গে একাধিকবার পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বিএসএফ একজন নিহত ও দুজন আহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে।
পরে মোট তিন দফা পতাকা বৈঠকের পর নিহত আসাদুলের লাশ হস্তান্তরে সম্মত হয় বিএসএফ।
পীরগঞ্জ থানার পরিদর্শক আব্দুল হাকিম জানান, প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে গভীর রাতে বিজিবির কাছ থেকে লাশ গ্রহণ করে স্বজনদের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।