এইচভি নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ: ১২:০২, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ১২:০২, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত
শনিবার মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালাহ উদ্দিন করিম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
কারাগারে পাঠানো দুজন হলেন মদন উপজেলার দেওসহিলা গ্রামের মাসুম মিয়া (২৮) ও একই গ্রামের আকারুল্লাহ (২৪)।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন মদন উপজেলা বিএনপির স্থানীয় সরকারবিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম চৌধুরী, তাঁর সহযোগী কবির তালুকদার ও আব্দুল করিম। এ ছাড়া অজ্ঞাতপরিচয় আরও দুজনকে মামলায় আসামি করা হয়েছে।
রফিকুল ইসলাম চৌধুরী মদন উপজেলা বিএনপির পদে রয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম আকন্দ।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, রফিকুল ইসলাম চৌধুরী একজন ওএমএস ডিলার। শুক্রবার সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে, তাঁর গোডাউনে থাকা সরকারি চাল কালোবাজারে বিক্রির উদ্দেশ্যে দুটি হ্যান্ডট্রলিতে করে ফতেপুর বাজার থেকে অন্যত্র নেওয়া হচ্ছে।
পরে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় ফতেপুর ইউনিয়নের রুদ্রশ্রী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে অভিযান চালিয়ে দুটি হ্যান্ডট্রলি জব্দ করা হয়। এ সময় হ্যান্ডট্রলির দুই চালক মাসুম মিয়া ও আকারুল্লাহকে আটক করে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, দুটি হ্যান্ডট্রলি থেকে ৫০ কেজি ওজনের ১০০ বস্তায় মোট ৫ হাজার কেজি চাল জব্দ করা হয়েছে। এ সময় খাদ্য অধিদপ্তরের লোগো ও লেখা সংবলিত ১৩৫টি খালি বস্তাও পাওয়া যায়।
পুলিশের দাবি, হ্যান্ডট্রলির দুই চালক জব্দ করা চালের বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেননি।
মদন থানার ওসি সালাহ উদ্দিন করিম বলেন, আটক দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের বিষয়ে তথ্য পাওয়া গেছে। ঘটনায় জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে মামলা করা হয়েছে। আটক দুজনকে শনিবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।