এইচভি নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ: ০৯:০১, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
সংগৃহীত
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ফ্লাইট ব্যবস্থাপনা-সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, বাতিল হওয়া সরাসরি ফ্লাইটের মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ৯টি, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ২টি, সৌদিয়া এয়ারলাইনসের ৪টি এবং রিয়াদ এয়ারের ৭টি রয়েছে।
অন্যদিকে, ট্রানজিট ফ্লাইটের মধ্যে ইন্ডিগোর ১৬টি, এমিরেটসের ৯টি, কাতার এয়ারওয়েজের ৫টি, ফ্লাইদুবাইয়ের ৫টি, সালামএয়ারের ৩টি এবং ইজিপ্টএয়ারের একটি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এসব ফ্লাইটে বিভিন্ন দেশ হয়ে রিয়াদে যাওয়ার কথা ছিল যাত্রীদের। তবে সংশ্লিষ্ট দেশগুলো থেকে ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় ঢাকায় অপেক্ষমাণ যাত্রীদের আর বহন করেনি এয়ারলাইনসগুলো।
এর আগে হুথিদের হামলার পর রোববার রিয়াদ বিমানবন্দর বন্ধ ঘোষণা করা হয়। গত এক সপ্তাহে বিমানবন্দরটিতে অন্তত পাঁচবার হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে গত বৃহস্পতিবারের হামলায় এক পাইলটসহ সৌদি আরবের তিন নাগরিক নিহত হন।
ওই দিন বিমানবন্দরের অবকাঠামোর পাশাপাশি সৌদিয়া এয়ারলাইনসের একটি উড়োজাহাজও হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়। এতে ওই পাইলটের মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
প্রায় দুই মাস ধরে ইরান-সমর্থিত ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহী ও সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোটের মধ্যে হামলা-পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটছে। এ সংঘাতের মধ্যে রিয়াদ বিমানবন্দর হুথিদের অন্যতম প্রধান লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।
এর আগে সৌদি আরবের আকাশসীমা ব্যবহার করে কোনো বিমান সংস্থা উড়োজাহাজ পরিচালনা করলে কঠোর পরিণতির হুঁশিয়ারি দিয়েছিল হুথিরা। এরপর শনিবার রিয়াদের বিমানবন্দরে বড় ধরনের হামলার ঘটনা ঘটে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।