এইচভি নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ: ১১:৫৪, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
সংগৃহীত
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) ভার্চ্যুয়ালি অনুষ্ঠিত ২০২৬ সালের কমিটির ৩৩তম সভায় এ সুপারিশ করা হয়। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের দুটি প্রস্তাব উপস্থাপন ও আলোচনা করা হয়।
প্রথম প্রস্তাবে সরকারি-বেসরকারি নয়, বরং সরকার-টু-সরকার (জিটুজি) পদ্ধতিতে এলএনজি সরবরাহের প্রস্তাব প্রক্রিয়াকরণের জন্য নীতিগত অনুমোদন চাওয়া হয়। এ প্রস্তাব জমা দিয়েছে আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান চেনিয়ার মার্কেটিং ইন্টারন্যাশনাল এলএলপি (Cheniere Marketing International LLP) এবং ট্রাফিগুরা পিটিই লিমিটেড (Trafigura Pte Ltd)।
এ ক্ষেত্রে সরকারি ক্রয় আইন, ২০০৬-এর ৬৮ ধারা এবং সরকারি ক্রয় বিধিমালা, ২০২৫-এর ৯৯(২) ও ১০৭(২) বিধির উল্লেখ করা হয়েছে।
অন্যদিকে, দ্বিতীয় প্রস্তাবে জনস্বার্থে দেশের নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহ বজায় রাখা এবং জরুরি জাতীয় চাহিদা পূরণে সরাসরি পাঁচটির মধ্যে তিনটি নয়, তিনটি নির্দিষ্ট আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে এলএনজি কেনার নীতিগত অনুমোদন চাওয়া হয়। প্রতিষ্ঠানগুলো হলো বিপি সিঙ্গাপুর পিটিই লিমিটেড (BP Singapore Pte. Limited), সাহারা এনার্জি রিসোর্স লিমিটেড (Sahara Energy Resource Limited) এবং শেল ইন্টারন্যাশনাল ট্রেডিং মিডল ইস্ট লিমিটেড এফজেডই (Shell International Trading Middle East Limited FZE)।
দ্বিতীয় প্রস্তাবে সরকারি ক্রয় আইন, ২০০৬-এর ৬৮ ধারা এবং সরকারি ক্রয় বিধিমালা, ২০২৫-এর ৯৭, ৯৮ ও ১০৭ বিধির উল্লেখ করা হয়েছে।
দুটি প্রস্তাবই জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ থেকে উত্থাপন করা হয়। এসব প্রস্তাবে নীতিগত অনুমোদনের সুপারিশ করা হলেও এলএনজির পরিমাণ, ক্রয়মূল্য, সরবরাহের সময়সূচি কিংবা চূড়ান্ত ক্রয়াদেশের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়নি।