এইচভি নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ: ০৬:২২, ১৬ অক্টোবর ২০২৬
সংগৃহীত
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেডের (বোয়েসেল) পাশাপাশি তালিকাভুক্ত বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবে। রিক্রুটিং এজেন্সিগুলো নিজেরাই নিয়োগকর্তা খোঁজা, চাকরির চাহিদাপত্র সংগ্রহ, কর্মী নির্বাচন এবং নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে।
অন্যদিকে, মালয়েশিয়ার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রশাসনিক কার্যক্রম, বিশেষ করে কলিং ভিসা ও ই-ভিসা প্রক্রিয়ায় সহায়তা দেবে বোয়েসেলসহ তালিকাভুক্ত ২৫টি প্রসেসিং বা সার্ভিস এজেন্সি। এরপর সংশ্লিষ্ট রিক্রুটিং এজেন্সিগুলো বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী কর্মীদের জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) ছাড়পত্রের ব্যবস্থা করবে।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রতিটি অনুমোদিত রিক্রুটিং এজেন্সি নিজস্ব লাইসেন্সের অধীনে নির্বাচিত কর্মীদের বিএমইটি ছাড়পত্র নিতে পারবে। এ ক্ষেত্রে প্রসেসিং বা সার্ভিস এজেন্সিগুলো প্রয়োজনীয় অনাপত্তিপত্র (এনওসি) দিতে পারবে।
স্বাস্থ্য পরীক্ষায় নতুন ব্যবস্থা
মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য অনুমোদিত মেডিকেল সেন্টারের তালিকা চূড়ান্ত করার কাজ চলছে। প্রাথমিকভাবে মালয়েশিয়ার সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইটে তালিকাভুক্ত কেন্দ্রগুলোর মধ্যে বিতর্কিত ও অনিয়মের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো বাদ দিয়ে বাকি কেন্দ্রগুলোর মাধ্যমে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শুরুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
পরবর্তী সময়ে মালয়েশিয়ার স্বাস্থ্য, মানবসম্পদ ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যৌথ প্রতিনিধি দল বাংলাদেশ সফর করে মেডিকেল সেন্টারগুলো পরিদর্শন করবে। নতুন নীতিমালা অনুযায়ী পরিদর্শন শেষে পূর্ণাঙ্গ তালিকা চূড়ান্ত করা হবে। নতুন কোনো কেন্দ্র যুক্ত হলে সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট ও বাংলাদেশের প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে তালিকা প্রকাশ করা হবে।
মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আগ্রহী কর্মীরা অনুমোদিত রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে মালয়েশিয়া যাওয়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারবেন। স্বাস্থ্য পরীক্ষাও করাতে হবে অনুমোদিত মেডিকেল সেন্টার থেকে। কোনো একটি কেন্দ্রকে এককভাবে স্বাস্থ্য পরীক্ষা পরিচালনার সুযোগ দেওয়া হবে না।
সরকারের লক্ষ্য, মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি, বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর অংশগ্রহণ বাড়ানো এবং নিয়োগপ্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করা। পাশাপাশি কর্মীদের অভিবাসন ব্যয় নিয়ন্ত্রণ এবং তাদের স্বার্থ সুরক্ষায় গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
তবে ১০ হাজার কর্মীকে শূন্য অভিবাসন ব্যয়ে নিয়োগের বিষয়ে নীতিগত সম্মতি দেওয়া হলেও আবেদন, কর্মী নির্বাচন ও নিয়োগের বিস্তারিত নির্দেশনা সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার অপেক্ষা করতে হবে।