এইচভি নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ: ১০:০২, ১৭ অক্টোবর ২০২৬ | আপডেট: ১০:০২, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
সংগৃহীত
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব হিন্দু সম্প্রদায়ের সদস্যদের শুভেচ্ছা জানান প্রধানমন্ত্রী।
বাণীতে তারেক রহমান বলেন, হিন্দু ধর্মমতে, জগতের মঙ্গল কামনায় দেবী দুর্গা স্বর্গলোক থেকে মর্ত্যলোকে আবির্ভূত হন। তিনি ভক্তদের কল্যাণ সাধনের পাশাপাশি অশুভ শক্তির বিনাশ করেন এবং সৃষ্টিকে লালন করেন। অশুভের বিনাশ ও সত্য-সুন্দরের আরাধনার মধ্য দিয়ে শারদীয় দুর্গোৎসব অনন্য তাৎপর্য লাভ করেছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের বিভিন্ন ধর্মের মানুষ নিজ নিজ ধর্ম স্বাধীনভাবে পালন করছেন এবং ভবিষ্যতেও করবেন। ধর্মীয় স্বাধীনতা ও পারস্পরিক সহাবস্থান দেশের দীর্ঘদিনের সামাজিক মূল্যবোধ, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের অবিচ্ছেদ্য অংশ। ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে বিভিন্ন ধর্ম, গোত্র ও সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে বন্ধুত্ব, সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরও দৃঢ় হয়।
তিনি বলেন, হাজারো প্রাণের বিনিময়ে ফ্যাসিবাদের অবসানের পর বাংলাদেশ আবার গণতন্ত্রের পথে যাত্রা শুরু করেছে। একই সঙ্গে শুরু হয়েছে দেশ পুনর্গঠনের বিশাল কর্মযজ্ঞ। দল, মত, ধর্ম ও বর্ণনির্বিশেষে সব নাগরিকের জন্য একটি কল্যাণমূলক, নিরাপদ ও মানবিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করাই সরকারের অঙ্গীকার।
বহুমাত্রিক সমাজ ও জীবনবোধকে সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির চেতনায় সমৃদ্ধ করার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার। ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার।’
তিনি হিন্দু সম্প্রদায়ের ভাই-বোনদের নির্ভয়ে ও নিরাপদে উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে সারা দেশে শারদীয় দুর্গাপূজার আনন্দ উদযাপনের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তাদের প্রতি আবারও শুভেচ্ছা জানান প্রধানমন্ত্রী।