ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

২ আশ্বিন ১৪৩৩, ০৪ রবিউস সানি ১৪৪৮

কালের কণ্ঠের অপসাংবাদিকতার বিশ্লেষণ পর্ব (৫)

এইচভি প্রতিবেদক

প্রকাশ: ২৩:২৩, ২৭ জুলাই ২০২৬

কালের কণ্ঠের অপসাংবাদিকতার বিশ্লেষণ পর্ব (৫)

ছবি: এআই

বাংলাদেশের বসুন্ধরা গ্রুপের ইস্ট-ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের অন্যতম সংবাদপত্র দৈনিক কালের কণ্ঠের বিরুদ্ধে অপসাংবাদিকতার অভিযোগ উঠেছে। পত্রিকাটি তাদের অনলাইন ভার্সনে ফ্রেমিং ও ভুল তথ্যে মিশ্রিত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে সাংবাদিকতার নীতিমালা ছাড়াই।

কালের কণ্ঠের অপসাংবাদিকতার ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে পঞ্চম পর্বে পত্রিকাটির অনলাইনে প্রকাশিত ‘মসজিদের অর্থ বরাদ্দে হাসনাতের ই-টেন্ডার নৈরাজ্য’ শিরোনামের প্রতিবেদন অনুচ্ছেদভিত্তিক বিশ্লেষণ করবে হিউম্যান ভয়েস টিম।

হিউম্যান ভয়েস অনুসন্ধানে দেখেছে, কালের কণ্ঠের শিরোনামের সঙ্গে প্রতিবেদনের ভেতরের বিস্তারিত খবরের কোনো মিল নেই। ই-টেন্ডার পেতে কারা কারা অংশ নিয়েছে, কবে ই-টেন্ডার আহ্বান করা হয়েছে, তার কোনো বিস্তারিত তথ্য প্রতিবেদনে উল্লেখ নেই। 

দৈনিক কালের কণ্ঠের প্রতিবেদনের অনুচ্ছেদ -১

এক টাকার দুর্নীতি প্রমাণ করতে পারলে সংসদ থেকে ইস্তফা দেবেন হাসনাত আবদুল্লাহ। দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক জায়গায় দাঁড়িয়ে জনগণকে এমন চ্যালেঞ্জ দেন তিনি। অথচ তার নিজ সংসদীয় আসনে লুটতরাজ ও অর্থনৈতিক অপরাধ এখন ওপেন সিক্রেট। হাসনাত আবদুল্লাহর নির্বাচিত এলাকা কুমিল্লার দেবিদ্বার পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের মরিচাকান্দা পূর্বপাড়ার বাইতুলফালা জামে মসজিদ। জাতীয় নির্বাচনে শাপলা কলিতে ভোট দিতে হবে এমন শর্ত জুড়ে দিয়ে মসজিদ সংস্কার করে দেবেন নিজের ব্যক্তিগত তহবিল থেকে এমন আশ্বাস দেন তিনি। স্থানীয়দের ভোটে নির্বাচিত হয়ে এমপি বনে গেছেন হাসনাত আবদুল্লাহ কিন্তু যে কথা দিয়েছিলেন এলাকাবাসীকে সেই কথা রাখেননি তিনি। এ নিয়ে চারদিকে সমালোচনা শুরু হলে কয়েক মাস পর নিজস্ব নেতাকর্মীদের পাঠিয়ে দায়সারা কাজ করে দেন এই সংসদ সদস্য। স্থানীয় এক ব্যক্তি বলেন, ‘নির্বাচনের আগে প্রতিশ্রুতি দিছে যে আমার ব্যক্তিগত টাকা দিয়ে কাজ করব। পরে শুনলাম যে ১১ লাখ ৮০ হাজার টাকা আসছে। কাজ করছে মাত্র সাড়ে তিন লাখ থেকে চার লাখ।

অনুচ্ছেদ-১ এর বিশ্লেষণ 

সংসদে দুর্নীতির টাকা প্রমাণ করতে পারলে সংসদ থেকে ইস্তেফা দেবার ঘোষণা দিয়েছিলেন হাসনাত আব্দুল্লাহ। তিনি রাষ্ট্রের সকল অঙ্গকে চ্যালেঞ্জ করেছেন। হাসনাত আব্দুল্লাহ এখন বিরোধী দলে থাকায় তিনি সরকারকে চ্যালেঞ্জ করেন সত্য। কিন্তু নির্বাচনে জিতলে মসজিদের সংস্কার করে দেবেন বলে যে দাবি কালের কণ্ঠ করেছে তার পক্ষে কোনো দালিলিক, ভিডিও কিংবা বিশ্বস্ত সোর্স খুঁজে পায়নি হিউম্যান ভয়েস। এছাড়া, তার কর্মীদের দিয়ে মসজিদের কাজ করানোর বিষয়টিও কোনোভাবে নিশ্চিত হতে পারেনি অনুসন্ধানী টিম। বিভিন্ন সোর্স ব্যবহার করে হিউম্যান ভয়েস জানতে পেরেছে, আওয়ামী লীগ প্রপাগাণ্ডাভিত্তিক পেজ ও ফেসবুক অ্যাক্টিভিস্টদের কাছে শুধু এ তথ্য পাওয়া গিয়েছে। আর স্থানীয় এক ব্যক্তির বরাতে যে বক্তব্য কালের কণ্ঠ বলছে, তা সাংবাদিকতার নীতিমালার বিরোধী। স্থানীয় এক ব্যক্তি বলতে প্রতিবেদন নিজেই বলছেন। সংবাদমাধ্যম কোনো সময় নামসহ বক্তব্য প্রকাশ করতে না চাইলে ‘নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক’ বাক্য লিখে থাকে। 

দৈনিক কালের কণ্ঠের প্রতিবেদনের অনুচ্ছেদ-২

ওই এলাকার এক তরুণ বলেন, ‘বাজেট আনছে কুমিল্লা-৪ আসনের আমাদের এমপি হাসনাত আবদুল্লাহ। উনি আইনা যারে এই কন্টাক্টে দিছে উনি এই কাজটা করছে। কিন্তু যতটুকু কাজ করছে ততটুকু কাজ ঠিক হয় নাই।’ আবার কাজের মান নিয়ে রয়েছে প্রশ্ন। এলাকাবাসী বলছে তরিঘরি করে কোনোমতে কাজ করে গেছেন হাসনাত আবদুল্লাহর লোকজন। কত টাকার কাজ হয়েছে—এমন প্রশ্ন করলে তারা বলেন, সর্বোচ্চ তিন থেকে সাড়ে তিন লাখ টাকা খরচ হয়েছে এবং এমপি নিজ পকেট থেকে দিয়েছেন এই অর্থ।

অনুচ্ছেদ-২ এর বিশ্লেষণ

দৈনিক কালের কণ্ঠ তরুণের নাম প্রকাশ না করেই তার বক্তব্য চালিয়ে দিয়েছে। এখানেও ‘নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক’ টার্ম ব্যবহার করেনি কালের কণ্ঠ। এই অনুচ্ছেদে এলাকাবাসী বলছে বলে যে বক্তব্য দেওয়া হয়েছে তাও সাংবাদিকতার নীতিমালার মধ্যে পড়ে না। 

দৈনিক কালের কণ্ঠের প্রতিবেদনের অনুচ্ছেদ-৩

মসজিদ কমিটির উপদেষ্টা সিরাজুল ইসলাম মিরণ বলেন, ‘তারা বলেছিল ব্যক্তিগতভাবে কাজটা যত টাকা খরচ লাগে এটা করে দেবে। সামনে জাতীয় নির্বাচন—একটা ভোটের জন্য এলাকাবাসী দাবি রাখবে। হাসনাত ভাই ব্যক্তি হিসেবে কাজ করাই দেবে। তিনি বলেন, ‘১২ লাখ টাকার কাজ করছে। এটার খরচটা কতটুকু হতে পারে আমরা একটা কনট্রাক্টরের সাথে আলাপ করেছি, কনট্রাক্টর বলছেন তিন থেকে সাড়ে তিন লাখ টাকা খরচ হতে পারে এটার।’ কিন্তু গণেশ উল্টে গেছে নদীতে। বাইতুলফালা জামে মসজিদ সংস্কারের জন্য ই-টেন্ডারের মাধ্যমে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বরাদ্দ আসে ১১ লাখ ৮১ হাজার টাকা। এই তথ্য মসজিদ কমিটি জানে কিনা জানতে চাইলে তারা বলেন, ‘এ বিষয়ে তাদের কিছুই জানানো হয়নি।’ সিরাজুল ইসলাম মিরণ বলেন, ‘জেলা প্রশাসকের একটা মিটিংয়ে আমরা জানতে পারি, আমাদের বাইতুলফালাহ জামে মসজিদের নামে ১১ লাখ ৮১ হাজার টাকার একটা বাজেট আসছে। উনারা ওই অতীতে বলছেন ব্যক্তি দিছে, অহন আমরা পরে  দেখি এটা সরকারিভাবে কাজটা আসছে।’

অনুচ্ছেদ-৩ এর বিশ্লেষণ

বাংলাদেশের মসজিদ কমিটির গঠন অনুযায়ী, সভাপতি, সহ-সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, যুগ্ম সম্পাদক, ক্যাশিয়ারসহ নানা পদ থাকে। তবে, মসজিদ কমিটির উপদেষ্টা পদের অস্তিত্ব খোঁজে পায়নি হিউম্যান ভয়েস। কোনো কোনো ক্ষেত্রে বড় ক্ষমতাবান রাজনৈতিক ব্যক্তি বা দানবীর ব্যক্তিদের এ উপাধী বা পদ দেওয়া হয়। তবে, মসজিদের বিষয়ে পুরোপুরি উয়াকিবহাল নয় এমন ব্যক্তিকে কখনো উপদেষ্টার ইতিহাস বাংলাদেশে নেই বলে অনুসন্ধানে জেনেছে হিউম্যান ভয়েস।

দৈনিক কালের কণ্ঠের প্রতিবেদনের অনুচ্ছেদ-৪

মসজিদের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থ আত্মসাতের ঘটনা শুনে অবাক স্থানীয় বাসিন্দারা। বলেন, ‘সংসদে দাঁড়িয়ে নীতিকথা বলা হাসনাত আব্দুল্লাহ নিজ এলাকায় লুটপাটের সংস্কৃতি চালু করবেন এটি তারা কখনো ভাবেননি।’

মসজিদ কমিটির উপদেষ্টা মিরণ বলেন, ‘হাসনাত ভাই উনি সবসময় নীতিতে থাকেন। উনি আমাদের সাথে ১২ লাখ টাকার বাজেটের প্রতারণা করছেন, এটা ভালো দেখা যায় নাই। এটা ভালো যুক্তিতে আসে নাই। এটা আমাদের সমাজবাসীর মনে খুব কষ্ট লেগেছে। যারা সরকারি বাজেট দেন তাদের কাছে আমার অনুরোধ থাকবে বিষয়টা যেন একটু দেখেন।’ এ বিষয়ে ই-টেন্ডার আবেদনকারী ব্যক্তি ইয়াহিয়ার সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, টেন্ডার তিনি আবেদন করেছিলেন ঠিকই কিন্তু কত টাকা বরাদ্দ এসেছে সেটি তিনি জানেন না। 

ইয়াহিয়া বলেন, ‘কত টাকা বরাদ্দ এসেছে সেটা জেলা পরিষদের লোকেরা ভালো জানেন, আর যিনি কাজ করছেন উনি ভালো জানেন। আমাদের কাগজ দেখান নাই। এটার বরাদ্দ কত টাকা আসছে ওইটা পর্যন্ত আমাদের জানানো হয়নি। আমাদের নানা টালবাহানা দেখাইছে।’ পরে ঠিকাদার মেসার্স মমতাজ এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মো. ফরহাদুল মিজানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। তিনি জানান, কার্যাদেশ তিনি পেয়েছিলেন ঠিকই কিন্তু সেই কাজ সাব-ঠিকাদার বিল্লাল হোসেনকে দিয়ে করিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘বিক্রি না, যাকে কাজ দিছি তিনি আমার পরিচিত আরকি। এটা জেলা পরিষদের ইঞ্জিনিয়ার জানেন। এটার কোনো অনিয়ম হওয়ার কথা না। কারণ জেলা পরিষদের ইঞ্জিনিয়ার দাঁড়ায়ে কাজ তদারকি করেন।’ বিল্লাল হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, তিনি কাজটি হাত বদল করে দিয়েছেন রিয়াদ নামের আরেক ব্যক্তির কাছে, যিনি স্থানীয় এনসিপির রাজনীতির সাথে জড়িত।

অনুচ্ছেদ-৪ এর বিশ্লেষণ

মসজিদের অর্থ আত্মসাতের গুজবে সবচেয়ে অবাক হয়েছে ফ্যাস্টিস্ট ও গণহত্যায় অভিযুক্ত আওয়ামী লীগের কর্মীরা। তাদের পরিচালিত পেজে প্রকাশিত তথ্যগুলো নিয়ে কালের কণ্ঠ প্রতিবেদন করেছে। যার প্রমাণ বিশ্লেষণ প্রতিবেদনের শেষে দেওয়া হবে। হিরণ নামের এক ব্যক্তি দিয়ে সবকিছু জাস্টিফাই করার চেষ্টা করা হয়েছে যা আওয়ামী লীগের প্রপাগান্ডা পেজ থেকে করা হয়েছে। সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় যে, দুই বছর ধরে ঠিকাদার জানেন না , মসজিদের জন্য কত টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কর্মী বলে রিয়াদ নামের একজনকে কাজ সম্পাদনের কর্তা হিসেবে দেখানো হয়েছে। তবে, তার এনসিপির সংশ্লিষ্টতা সম্পর্কে কোনো প্রমাণ হাজির করতে পারেনি কালের কণ্ঠ। এমনকি, হিউম্যান ভয়েস রিয়াদের রাজনৈতিক পরিচয় নিশ্চিত হতে পারেনি। 

দৈনিক কালের কণ্ঠের প্রতিবেদনের অনুচ্ছেদ-৫

জানা যায়, বিল্লাল দেবিদ্বার ক্যাপ্টেন সুজাত আলী সরকারি কলেজের নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সভাপতি ও জুলাই আন্দোলনের হত্যা মামলার আসামি। বিল্লাল হোসেন বলেন, ‘আমি কাজ করি না, ছোট ভাই রিয়াদকে দিয়ে দিছি। আমি তিন-চার বছর দেবিদ্বারে কোনো কাজ করিনি। কিন্তু দুই-একজনকে কাজ নিয়ে দিছি।’ 

তিনি বলেন, ‘আমরা এক সময় ঠিকাদারি করতাম। ছোট ভাই রিয়াদ নতুন আরকি, এনসিপিতে সংযুক্ত আছে কিনা আমি সঠিক জানি না। ছেলেটা আবার ওই মেইন ঠিকাদার থেকে ক্রয় করে নিয়ে আসছে এবং এটা ৫ শতাংশ না ১০ শতাংশ লেস আছে।’ কালের কণ্ঠের হাতে আসা নথিতে দেখা যায়, বিল্লাল রিয়াদের কথা বললেও এই কাজ বাস্তবায়ন করেছে এই ছাত্রলীগ নেতার ছোট ভাই ইকবাল হোসেন। 

অনুচ্ছেদ-৫ এর বিশ্লেষণ

কালের কণ্ঠ রিয়াদকে এনসিপির কর্মী হিসেবে প্রমাণ করতে চেয়েছিল আগে। এখন বিল্লাল, যাকে ছাত্রলীগ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে তার বক্তব্যে রিয়াদের রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে সন্দিহান প্রকাশ করছে কালের কণ্ঠ। এছাড়া, হাসনাত আব্দুল্লাহের সঙ্গে ছাত্রলীগের যে সম্পর্ক রয়েছে তা প্রমাণ করতে চেয়েছিল বসুন্ধরা গ্রুপের এই পত্রিকাটি। এছাড়া, অন্যদের দিয়ে বক্তব্য বলানোর সময় রিয়াদকে কাজ সম্পাদনের কথা বললেও বিল্লালের ছোট ভাইকে দিয়ে কাজ হয়েছে বলে নথির প্রমাণ পেয়েছে কালের কণ্ঠ। অথচ, এ নিয়ে কোনো ক্রসচেক করেনি সংবাদপত্রের সম্পাদকীয় টিম। 


দৈনিক কালের কণ্ঠের প্রতিবেদনের অুনচ্ছেদ-৬

এদিকে, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বরাদ্দ নিয়ে যদি কোনো নয়-ছয় করা হয় তাহলে সেটি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কুমিল্লা জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. গোলাম জাকারিয়া বলেন, ‘কাছ থেকে যে অভিযোগটি এখানে আমি জানলাম, সেটি আমি নোটডাউন করেছি এবং আমি খোঁজ খবর নেব। খোঁজ খবর নিয়ে যদি সত্যি সত্যি এখানে কোনো ব্যত্যয় হয়ে থাকে আমার প্রশাসক মহোদয় আছেন উনার সাথে আলাপ করে যে আইনগত প্রক্রিয়া আছে বা ব্যবস্থা আছে আমি সেটা নেব।’

অনুচ্ছেদ-৬ এর বিশ্লেষণ

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাতে বক্তব্য রাখলেও নাম উল্লেখ করা হয়নি। কোনো সংবাদ মাধ্যম কোনো পদবী ব্যবহার করলে তার কর্মকর্তার নাম ব্যবহার নিশ্চিত করে থাকে। সেখানে নীতিমালা অনুসরণ করা হয়। এছাড়া, জেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তার বক্তব্যের মধ্যে জেলা প্রশাসকে জানানোর বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। অথচ, তার হাত ধরেই প্রকল্পের অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে।

হিউম্যান ভয়েস তার অনুসন্ধানে জানতে পেরেছে যে, উক্ত প্রতিবেদনটি আওয়ামী পন্থী অ্যাকটিভিজম ভিত্তিক ফেসবুক পেজ ফ্রিডম বাংলা নিউজ প্রকাশ করেছিল ২০২৬ সালের ১ জুলাই বেলা ৪টা ৩৭ মিনিটে।  আর কালের কণ্ঠ একই তথ্য নিয়ে প্রতিবেদনটি প্রকাশ করেছে একই দিনের ৮টা ৫৪ মিনিটে। আর আওয়ামী অ্যাক্টটিভিস্ট মোহাম্মদ মোমিন উল্লাহ একই তথ্য প্রকাশ করেছেন একই দিনের বেলা ১১টা৩৭ মিনিটে। 

আওয়ামী প্রপাগান্ডা ফ্রিডম বাংলা নিউজের পোস্ট পড়তে ক্লিক করুন এখানে আর মোমিন উল্লাহের পোস্ট পড়তে ক্লিক করুন এখানে। 

নির্দেশিকা: এই সংবাদ বিশ্লেষণ প্রতিবেদনে লাল রঙের লেখা কালের কণ্ঠ পত্রিকার হুবহু আর কালো রঙের লেখা হিউম্যান ভয়েসের বিশ্লেষণ।

হিউম্যান ভয়েসের বক্তব্য: সংবাদ বিশ্লেষণ করা হয়, কাউকে নিরপরাধ বা অপরাধ বানানোর জন্য নয়। সত্য সাংবাদিকতা প্রতিষ্ঠাকেই দায়িত্ব মনে করে হিউম্যান ভয়েস।
 

সম্পর্কিত বিষয়:

আরও পড়ুন