এইচভি নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ: ০০:১২, ২০ আগস্ট ২০২৬ | আপডেট: ০০:১২, ২০ আগস্ট ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত
ডিবি সূত্র জানায়, গত ১০ আগস্ট নিয়মিত সাইবার মনিটরিংয়ের সময় সুমাইয়ার ব্যক্তিগত ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট ও টেলিগ্রাম চ্যানেলে বিভিন্ন আপত্তিকর কনটেন্ট এবং সেগুলো বিক্রির বিজ্ঞাপন নজরে আসে। অভিযোগ রয়েছে, বিকাশ ও নগদের মতো মোবাইল আর্থিক সেবার মাধ্যমে নির্দিষ্ট ফি নিয়ে গ্রাহকদের কাছে অশ্লীল ছবি ও ভিডিও বিক্রি করা হতো। এর মধ্যে ৩ হাজার ৫০০ টাকায় ‘লাইফটাইম প্যাকেজ’ দেওয়ার বিজ্ঞাপনও ছিল।
পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় সুমাইয়ার অবস্থান শনাক্ত করে গত ১১ আগস্ট রাতে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার একটি ফ্ল্যাটে অভিযান চালায় ডিবি। সেখান থেকে তাকে গ্রেপ্তারের পাশাপাশি তার ব্যবহৃত একটি আইফোন ১৭ প্রো ম্যাক্স ও একটি ওয়ানপ্লাস স্মার্টফোন জব্দ করা হয়।
পুলিশ জানায়, সুমাইয়ার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাজধানীর বাড্ডা এলাকার ‘ঢাকা পপুলার ট্রাভেলস’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে তার প্রধান সহযোগী খাজা সাকলাইন ফারুককে আটক করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ জানতে পারে, সুমাইয়া কয়েকজন সহযোগীকে নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে এই কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিলেন। তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দাবি, মেয়ের এসব কর্মকাণ্ডের বিষয়ে জানার পরও বাধা না দেওয়া এবং ওই কার্যক্রম থেকে পাওয়া অর্থ গ্রহণের অভিযোগে সুমাইয়ার বাবা মো. আবু সাঈদকেও মামলার আসামি করা হয়েছে।
এ ঘটনায় রমনা মডেল থানায় পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা করা হয়েছে। মামলার তদন্তে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের পাশাপাশি ঘটনার বিস্তারিত তথ্য উদ্ঘাটনে আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে তিন দিনের রিমান্ড আবেদন করেছে পুলিশ।