এইচভি নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ: ১৭:৩০, ৯ অক্টোবর ২০২৬
বৈছার নেতা মাহদী হাসান
গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মাহদী হাসান নিজেই।
তিনি বলেছেন, ‘আজ আমার ইত্তিহাদ এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে করে জ্যামাইকা যাওয়ার কথা ছিল। ফ্লাইটটি ছিল রাত ৯.৩৫ মিনিটে। কিন্তু আমাকে যেতে দেওয়া হয়নি।’
তার দাবি, সব মামলায় জামিনে থাকলেও তাকে যেতে দেওয়া হয়নি। দেশের বাইরে যেতে পুলিশের পক্ষ থেকে তাকে আদালতের অনুমতি নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পরে বিমানবন্দর এলাকা থেকে চলে যান তিনি। তবে, এ বিষয়ে কোনো তথ্য জানা নেই বলে জানিয়েছেন বিমানবন্দর থানার ডিউটি অফিসার।
উল্লেখ্য, বৈষম্য বিরোধী আন্দোলন চলাকালীন ৫ আগস্ট ২০২৪ সালে হবিগঞ্জের বানিয়াচং থানায় আগুন লাগিয়ে দায়িত্বরত উপ-পরিদর্শক সন্তোষ চৌধুরীকে পুড়িয়ে হত্যার প্রকাশ্য স্বীকারোক্তি দিয়ে আলোচনায় আসেন সমন্বয়ক মাহদী। উপ-পরিদর্শক সন্তোষ চৌধুরীর বিরুদ্ধে জুলাই আন্দোলনের সময় গুলি করে কয়েকজনকে হত্যার অভিযোগ ছিল।
ঘটনার পর সরেজমিনে গিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল বিবিসি বাংলা। বিবিসি বাংলার প্রতিবেদনের তথ্যানুযায়ী, এসআই সন্তোষ চৌধুরী জুলাই অভ্যুত্থানের সময় মাঠপর্যায়ে সক্রিয় ছিলেন। তিনি অতি উ’সাহী পুলিশ কর্মকর্তা ছিলেন। তার বিরুদ্ধে মানুষের ক্ষোভ ছিল চরমে। যখন উত্তেজিত জনতা থানা পুড়াতে যায় তখনই তারা সেনাবাহিনীকে শুধুমাত্র সন্তোষকে তাদের কাছে হস্তাস্তর করতে চেয়েছিল। পরে সব পুলিশকে ছেড়ে দিলেও সন্তোষকে ছিনিয়ে নেয় উত্তেজিত জনতা। হত্যার পরদিন তার মরদেহ ঝুলিয়ে রাখা হয়। ঐ থানার অধীনে জুলাই অভ্যুত্থানে পুলিশের গুলিতে ছয়জন মানুষ নিহত হন। যার ফলে, থানার পুলিশকের ওপর অভ্যুত্থানকারীদের চরম ক্ষোভ ছিল। বিশেষ করে, সন্তোষ চৌধুরীর ওপর।
এছাড়া, আওয়ামী লীগের সময় এলাকার মানুষকে নানাভাবে হয়রানির অভিযোগ ছিল সন্তোষ চৌধুরীর বিরুদ্ধে। সেসব বিষয় নিয়েও স্থানীয়দের ক্ষোভ ছিল। সেই ঘটনার স্বীকারোক্তি দিয়ে থানার ওসিকে হুমকি দিয়েছিলেন মাহদী। যদিও স্লিপ অব টাং বলে স্বীকারোক্তি এড়িয়ে গেছেন এই তরুণ।