এইচভি নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ: ০৭:০০, ৮ অক্টোবর ২০২৬ | আপডেট: ০৭:০২, ৮ অক্টোবর ২০২৬
সংগৃহীত
শহীদ আবরার ফাহাদের সপ্তম শাহাদাতবার্ষিকী ও নিপীড়নবিরোধী দিবস উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ক্ষতচিহ্নের ক্যানভাস, নির্যাতনের ক্যাম্পাস’ শীর্ষক চিত্র প্রদর্শনী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যানটিনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে এ কর্মসূচি আয়োজন করা হয়।
সকাল ৯টায় মধুর ক্যানটিন প্রাঙ্গণে চিত্র প্রদর্শনীর মাধ্যমে কর্মসূচি শুরু হয়। এতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন সময়ে সংঘটিত নিপীড়ন, নির্যাতন ও সহিংসতার চিত্র তুলে ধরা হয়।
পরে বিকেল ৩টায় একই স্থানে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা। এতে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি ও ডাকসুর এজিএস মহিউদ্দিন খান।
সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম বলেন, গত ১৭ বছরে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে ‘শত শত নির্যাতন ও নিপীড়ন’ হয়েছে। আওয়ামী লীগ ও ভারত ‘একই সূত্রে গাঁথা’ দাবি করে তিনি বলেন, ছাত্রলীগ ক্যাম্পাসগুলোকে ‘জাহান্নাম’ বানিয়ে রেখেছিল।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার ও তাদের ছাত্রসংগঠন আওয়ামী লীগের ‘জেরক্স কপিতে’ পরিণত হয়েছে।
আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি সিরাজুল ইসলাম। তিনি বলেন, সেগুলো ছিল সবার কথা এবং সেই ‘স্ফুলিঙ্গ’ পাঁচ বছর পর বড় আকার ধারণ করে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটে।
ডাকসুর ভিপি মো. আবু সাদিক কায়েম বলেন, ডাকসুর সবচেয়ে বড় সফলতা হচ্ছে ‘ভায়োলেন্সমুক্ত ক্যাম্পাস’ নিশ্চিত করা। অতীতে মধুর ক্যানটিনে দিনের পর দিন সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর নির্যাতন চালানো হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
আবরার ফাহাদ ‘ভারতীয় আধিপত্যবাদের’ বিরুদ্ধে কথা বলেছিলেন উল্লেখ করে আবু সাদিক কায়েম বলেন, একই ধারায় মেজর জিয়া, খালেদা জিয়া ও শহীদ ওসমান হাদীসহ জুলাই আন্দোলনের যোদ্ধারা কথা বলেছেন। নতুন বাংলাদেশে ‘শত্রু ও মিত্র’ চিহ্নিত করার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি কাজী আশিকের সঞ্চালনায় সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন সাংগঠনিক সম্পাদক সাজ্জাদ হোসাইন খান। এতে আরও বক্তব্য দেন ডাকসুর জিএস এস এম ফরহাদ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি ও ডাকসুর এজিএস মহিউদ্দিন খান।
অনুষ্ঠানে ছাত্রশিবিরের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।