এইচভি নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ: ০৮:৪০, ২০ অক্টোবর ২০২৬
সংগৃহীত
সোমবার (১৯ অক্টোবর) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে ইশরাক এসব কথা বলেন।
এর আগে নাহিদ ইসলাম বলেছিলেন, ইশরাক হোসেন কেন পদত্যাগ করেছেন, সে বিষয়ে সরকারের ব্যাখ্যা দেওয়া উচিত। তার মতে, ইশরাকের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অপরাধের বিষয়টিও পরিষ্কার করা হয়নি। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে হলে কারও অপরাধ থাকলে তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি; শুধু পদত্যাগ কোনো সমাধান নয়।
নাহিদের ওই বক্তব্যের জবাবে ইশরাক বলেন, নাহিদকে তিনি একসময় নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের ধারক হিসেবে বিবেচনা করতেন। তবে তার অভিযোগ, মাদক পরিস্থিতি ও এর প্রতিকার নিয়ে কথা না বলে নাহিদ তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি অপরাধ খোঁজার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।
ইশরাকের ভাষায়, ‘আগে মাদকের ইস্যুটা এড্রেস করলে ভালো হত না? তারপরে আমারে ফাঁসিতে ঝুলাইতি।’
তিনি আরও বলেন, ‘দুঃখিত জেন-জি, কোনো নতুন বন্দোবস্ত এদের মাধ্যমে পাচ্ছেন না।’
ফেসবুক পোস্টে ইশরাক জানান, সমসাময়িক ঘটনা নিয়ে আরেক ব্যক্তি তাকে ফোন করেছিলেন। ওই ব্যক্তি মাদকবিরোধী কার্যক্রমে তার সঙ্গে যুক্ত হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন বলে দাবি করেন তিনি। তবে ওই ব্যক্তির নাম প্রকাশ করেননি ইশরাক।
এনসিপির রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে ইশরাক বলেন, ‘এই পার্টির ভবিষ্যৎ ০।’ নাহিদকে উদ্দেশ করে তিনি আরও বলেন, তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি অপরাধের কোনো অভিযোগ থাকলে মামলা করা হোক। সে ক্ষেত্রে তিনি নিজেই আদালতে আত্মসমর্পণ করে কারাগারে যেতে প্রস্তুত বলেও উল্লেখ করেন।
মাদকের বিরুদ্ধে নিজের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে ইশরাক বলেন, প্রচলিত পদ্ধতিতে এর প্রতিকার সম্ভব না হলে ভিন্নভাবে ব্যবস্থা নিতে হবে। পোস্টের শেষাংশে তিনি বড় মাদক কারবারি ও বিক্রেতাদের উদ্দেশে শিগগিরই পদক্ষেপ নেওয়ার ইঙ্গিত দেন।
উল্লেখ্য, মাদকবিরোধী অবস্থান নিতে গিয়ে অস্ত্র প্রদর্শনকে কেন্দ্র করে বিতর্কের মুখে পড়েছিলেন ইশরাক হোসেন। পরে তিনি মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেন। তার বক্তব্য ও নাহিদ ইসলামের প্রতিক্রিয়াকে কেন্দ্র করে দুই নেতার মধ্যে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য সামনে এল।