ঢাকা, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬

১৮ কার্তিক ১৪৩৩, ২১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

যুক্তরাষ্ট্রের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বন্দুক হামলা, নিহত ৪

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ: ০৬:২৯, ১৬ অক্টোবর ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বন্দুক হামলা, নিহত ৪

যুক্তরাষ্ট্রের ওরেগন অঙ্গরাজ্যের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বন্দুকধারীর হামলায় তিন শিশুসহ অন্তত চারজন নিহত হয়েছে। হামলার পর বন্দুকধারীও নিহত হয়েছে। তবে নিহতের মোট সংখ্যার মধ্যে হামলাকারী অন্তর্ভুক্ত কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) স্থানীয় সময় দুপুরে অঙ্গরাজ্যটির বেন্ড শহরের সিলভার রেইল এলিমেন্টারি স্কুলে এ হামলার ঘটনা ঘটে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন ও সিবিএস নিউজ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সূত্রের বরাতে চারজন নিহত হওয়ার তথ্য জানিয়েছে। খবর রয়টার্সের।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, দুপুর ১টার দিকে বিদ্যালয়ের বাইরে একটি গাড়িতে গুলি চালানোর খবর পেয়ে কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে যান। এর পরপরই বিদ্যালয়ের ভেতরে বন্দুকধারীর উপস্থিতি ও গুলির খবর আসে। পুলিশ পৌঁছানোর সময় হামলাকারী গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে ছিল এবং পরে তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

বেন্ড পুলিশ বিভাগের মুখপাত্র শিলা মিলার জানান, হামলাকারীকে কে গুলি করেছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। কোনো পথচারী বা ঘটনাস্থলে উপস্থিত অন্য কেউ তাকে গুলি করে থাকতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। সিবিএস নিউজের প্রতিবেদনে হামলাকারীর বয়স ১৬ বছর বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, হামলায় একাধিক ব্যক্তি হতাহত হয়েছেন এবং তাদের মধ্যে শিশুও রয়েছে। অন্তত দুজনকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। তবে তাদের শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

ঘটনার পর বিদ্যালয়টি ঘিরে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়। শিক্ষার্থী ও কর্মীদের নিরাপদে সরিয়ে নিতে পুলিশ কক্ষ ধরে তল্লাশি চালায়। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের পুনর্মিলনের ব্যবস্থাও করা হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা এফবিআই স্থানীয় পুলিশের সঙ্গে তদন্তে সহযোগিতা করছে। অঙ্গরাজ্যটির গভর্নর টিনা কোটেকও ঘটনাটি পর্যবেক্ষণ করছেন বলে জানিয়েছেন।

প্রায় ৪৫০ শিক্ষার্থী ও ৪০ জন কর্মী নিয়ে পরিচালিত সিলভার রেইল এলিমেন্টারি স্কুলে কিন্ডারগার্টেন থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ানো হয়। হামলার ঘটনায় বিদ্যালয়-সংশ্লিষ্ট পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে।

এ সম্পর্কিত খবর

আরও পড়ুন