ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

২ আশ্বিন ১৪৩৩, ০৪ রবিউস সানি ১৪৪৮

গত ১৭ বছর নারীর প্রতি সহিংসতা সবচেয়ে বেশি হয়েছে: ড. রাশেদ

এইচভি নিউজ ডেস্ক

প্রকাশ: ২৩:৫৪, ২৭ আগস্ট ২০২৬ | আপডেট: ২৩:৫৫, ২৭ আগস্ট ২০২৬

গত ১৭ বছর নারীর প্রতি সহিংসতা সবচেয়ে বেশি হয়েছে: ড. রাশেদ

প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর- ছবি: সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেছেন, গত ১৭ বছরে ( দ্বিতীয় মেয়াদের শেখ হাসিনার শাসনামল) নারীর প্রতি সহিংসতা যেকোনো সময়ের তুলনায় সবচেয়ে বেশি হয়েছে। পতিত সরকারের যতই উন্নয়নের বয়ান বলা হোক না কেন, উন্নয়নের সূচকের সঙ্গে বাস্তবতার কোনো মিল খুঁজে পাওয়া যায় না।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে অ্যাসোসিয়েশন ফর ল্যান্ড রিফর্ম অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (এএলআরডি) আয়োজিত ‘গ্রামীণ বাংলাদেশে ভূমির অধিকার ও নারীর প্রতি সহিংসতা’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অধ্যাপক ড. তিতুমীর বলেন, রাষ্ট্র যখন সহিংস হয়ে ওঠে, তখন পরিবারে সহিংসতা বিদ্যমান থাকে। রাষ্ট্র যখন ভয় দিয়ে চালাতে চায়, তখন তার প্রতিটি পদক্ষেপে ভয়ের সংস্কৃতি তৈরি করে এবং এটাও পরিবারের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। গত ১৭ বছরে পিতৃতান্ত্রিকতার যেকোনো ধরনের সূচক সবচেয়ে বেড়েছে এবং তার ফলাফল আজকের আলোচকদের কথায় উঠে এসেছে।

উপদেষ্টা বলেন, আপনারা জানেন, উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত সমস্যার কারণে দরিদ্র মানুষের সংখ্যা বেড়েছে। সেটা আপনারা জীবনের প্রতি মুহূর্তে অনুভব করছেন। কোনো কোনো হিসাবে প্রায় ১ কোটি মানুষ নিম্নবিত্ত থেকে দরিদ্র হয়ে গেছে। বিগত সরকারের সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি শেষ হওয়ার পর দেখা গেছে, দেশে ১ কোটি দরিদ্র বেড়ে গেছে। অর্থাৎ তারা শুধু উন্নয়নের ফাঁকা বুলি ছড়িয়েছে।

তিনি বলেন, তাই আমরা অতীত থেকে শিক্ষা নিতে চাই। আমরা চাই, প্রতিটি জীবনচক্রে নারী যেন উপকারভোগী হয়। তার শৈশব, মাতৃত্বকালীন সময় এবং শেষ বয়সেও তাকে তার প্রাপ্য অধিকার আমাদের সরকার দিতে চায়।

তিনি বলেন, আন্দোলন-সংগ্রামের বিকল্প কিন্তু কিছু নেই। কারণ এটার মাধ্যমেই আমাদের অধিকার আদায়ের জন্য চেষ্টা করতে হবে এবং রাষ্ট্রকে জবাবদিহির মধ্যে নিতে হবে। যেটা আমাদের প্রধানমন্ত্রী বারবার উল্লেখ করছেন যে, রাষ্ট্রযন্ত্রের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে।

এ সম্পর্কিত খবর

আরও পড়ুন