এইচভি নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ: ০০:২১, ৪ নভেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ০০:২২, ৪ নভেম্বর ২০২৬
সংগৃহীত
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) বিকেলে বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এসব নির্দেশনা দেন। প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব গাজী শাহরিয়ার পামির এ তথ্য জানান।
বৈঠকে জানানো হয়, দ্বিতীয় পদ্মা ও দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাই চলছে। আগামী বছরের সেপ্টেম্বরে এসব সমীক্ষা শেষ হওয়ার পর সেতু দুটির স্থান, নকশা ও সম্ভাব্য ব্যয় চূড়ান্ত করা হবে।
দ্বিতীয় পদ্মা সেতুর ক্ষেত্রে প্রস্তাবিত ওয়াই আকৃতির সংযোগব্যবস্থা নিয়ে বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয়। অন্যদিকে দ্বিতীয় যমুনা সেতুর মাধ্যমে রংপুরসহ উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকার সঙ্গে যোগাযোগব্যবস্থা উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মিত হলে রাজধানীর সঙ্গে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের যোগাযোগ আরও সহজ হবে। পাশাপাশি মোংলা সমুদ্রবন্দর এবং বেনাপোল ও দর্শনা স্থলবন্দরের সঙ্গে বিকল্প যোগাযোগব্যবস্থা গড়ে উঠবে।
বৈঠকে পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প নিয়েও আলোচনা হয়। শুষ্ক মৌসুমে পানির সংকট মোকাবিলা, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ বজায় রাখা এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষাকে প্রকল্পটির গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য হিসেবে তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি ব্যারেজের ওপর দিয়ে সড়ক যোগাযোগ স্থাপনের সম্ভাবনাও পর্যালোচনা করা হয়।
এ ছাড়া প্রকল্পগুলোর অর্থায়ন, ভূমি অধিগ্রহণ, পুনর্বাসন এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের বিষয়গুলো বৈঠকে গুরুত্ব পায়।
বৈঠকে সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, রেলপথ এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, নৌপরিবহন ও সেতু বিভাগের প্রতিমন্ত্রী মো. রাজীব আহসানসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সচিব এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সূত্র: বাসস