এইচভি নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ: ১৯:৩৬, ২ অক্টোবর ২০২৬ | আপডেট: ২০:০৯, ২ অক্টোবর ২০২৬
মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান। সংগৃহীত
শুক্রবার (২ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় নিজ বাসভবন থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। ডিবির প্রধান মো. শফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে, একই দিন বিমানবন্দর থানায় তার বিরুদ্ধে মামলা করেন বিমানবন্দরের নিরাপত্তা কর্মকর্তা মো. শাহরিয়ার আলম সজিব। মামলায় সরকারি কাজে বাধা, হুমকি, গালিগালাজ ও নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ আনা হয়েছে।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) মদিনা থেকে ঢাকায় আসা বিজি-৩৩৮ ফ্লাইটের যাত্রীরা লাগেজ পেতে দেরি হওয়ায় বিমানবন্দরে অসন্তোষ তৈরি হয়। একই সময়ে ট্রলি সংকট নিয়েও ভোগান্তির সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগীব সামাদ ঘটনাস্থলে গেলে আখতারুজ্জামান তার সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ে জড়িয়ে পড়েন বলে এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে।
এজাহারে আরও বলা হয়, আখতারুজ্জামান নির্বাহী পরিচালককে গালিগালাজ, হুমকি এবং শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার চেষ্টা করেন। এ সময় বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী সম্পর্কেও অশালীন মন্তব্য করার অভিযোগ রয়েছে।
পরে আখতারুজ্জামানের সঙ্গে থাকা কয়েকজন ব্যক্তি বিমানবন্দরের সংরক্ষিত এলাকায় ভিডিও ধারণ করলে নিরাপত্তা সুপারভাইজার ওয়ারেন্ট অফিসার মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন তাদের বাধা দেন। মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, এতে ক্ষুব্ধ হয়ে আখতারুজ্জামান তাকে গালিগালাজ ও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন।
এ ছাড়া সাধারণ যাত্রীদের জমজমের পানির বোতল ছুড়ে ফেলা এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের এক প্রতিনিধির সঙ্গে মারমুখী আচরণের অভিযোগও মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে মামলাটি আদালত গ্রহণ করে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য বিমানবন্দর থানার একজন উপপরিদর্শককে আগামী ১০ নভেম্বরের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলায় আনা অভিযোগগুলোর বিষয়ে আখতারুজ্জামানের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। অভিযোগের সত্যতা তদন্তের পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে।