ঢাকা, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬

১৮ কার্তিক ১৪৩৩, ২১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

জ্বালানি আমদানির খরচ মেটাতে বিপিসিকে ৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ঋণ

এইচভি নিউজ ডেস্ক

প্রকাশ: ১০:৩৩, ১ অক্টোবর ২০২৬ | আপডেট: ১০:৩৫, ১ অক্টোবর ২০২৬

জ্বালানি আমদানির খরচ মেটাতে বিপিসিকে ৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ঋণ

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ও পরিবহন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় আমদানি ব্যয় সামাল দিতে বিপিসিকে ৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ঋণ দিয়েছে সরকার।

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ও পরিবহন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় আমদানি ব্যয় সামাল দিতে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনকে (বিপিসি) ৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ঋণ দিয়েছে সরকার।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বিপিসির চেয়ারম্যান ড. মো. রফিকুল ইসলাম বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থাকে (বিএসএস) এ তথ্য জানিয়েছেন।

বিপিসি চেয়ারম্যান বলেন, সরকারকে ৫ হাজার কোটি টাকা ঋণের জন্য আবেদন করা হয়েছিল। এর মধ্যে ৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা পাওয়া গেছে।

তিনি বলেন, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। একই সঙ্গে জাহাজে পরিবহন ও পণ্য খালাসের ব্যয়ও বেড়েছে। এতে রাষ্ট্রীয় সংস্থাটি বড় ধরনের আর্থিক চাপের মুখে পড়েছে।

রফিকুল ইসলাম জানান, জ্বালানি আমদানির অর্থায়ন, দেশে পেট্রোলিয়াম পণ্যের সরবরাহ নির্বিঘ্ন রাখা এবং আমদানির জন্য প্রয়োজনীয় ঋণপত্র (এলসি) খোলার সক্ষমতা বজায় রাখতে সরকারের এই ঋণ প্রয়োজন ছিল।

বিপিসির হিসাবে, চলতি বছরের মার্চ থেকে আগস্ট পর্যন্ত আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি এবং পরিবহন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় অতিরিক্ত প্রায় ২৩ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে।

বিপিসি চেয়ারম্যান বলেন, আগে জাহাজে জ্বালানি তেল পরিবহনে ব্যারেলপ্রতি ৩ থেকে ৪ মার্কিন ডলার খরচ হতো। সাম্প্রতিক সময়ে সেই পরিবহন ব্যয় বেড়ে ১৫ থেকে ১৭ ডলারে দাঁড়িয়েছে। এতে প্রতি মাসে জ্বালানি আমদানির ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

এদিকে আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বৃদ্ধি ও আমদানি ব্যয়ের চাপ সামাল দিতে গত ২০ সেপ্টেম্বর দেশে ডিজেলসহ বিভিন্ন পেট্রোলিয়াম পণ্যের দাম বাড়িয়েছে সরকার।

বিপিসি এর আগে জানিয়েছিল, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়লেও সে অনুযায়ী দেশের বাজারে দাম সমন্বয় না করায় সংস্থাটির আর্থিক চাপ আরও বেড়েছে।

বিপিসির কর্মকর্তারা জানান, চলতি বছরের মার্চ থেকে আগস্ট পর্যন্ত আমদানি করা জ্বালানি তেলের মূল্য পরিশোধে সংস্থাটির প্রায় ২২ হাজার ৮৭৬ কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে।

এ সম্পর্কিত খবর

আরও পড়ুন