আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ২০:১৬, ২০ আগস্ট ২০২৬ | আপডেট: ২০:১৮, ২০ আগস্ট ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দক্ষিণ ২৪ পরগনার রায়দিঘির গাজীর মোড় এলাকায় ইয়াকুব নামের এক ব্যক্তির বাড়িতে কয়েকজন বাংলাদেশি নাগরিক অবস্থান করছেন—এমন গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালায় পুলিশ। পরে ওই বাড়ি থেকে দুই নারী, পাঁচ পুরুষ ও তিন শিশুসহ ১০ জনকে আটক করা হয়। আটক ব্যক্তিরা বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলার বাসিন্দা বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশের দাবি, আটক ব্যক্তিরা কয়েক বছর আগে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করে বেঙ্গালুরুতে বসবাস করছিলেন। সেখানে তারা ভাঙারি ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। সম্প্রতি বেঙ্গালুরুতে অবৈধ বাংলাদেশি নাগরিকদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু হলে তারা সেখান থেকে রায়দিঘিতে চলে আসেন এবং পরিচিত ইয়াকুবের বাড়িতে আশ্রয় নেন।
আটক ১০ জনকে দক্ষিণ ২৪ পরগনার লক্ষ্মীকান্তপুর হোল্ডিং সেন্টারে পাঠানো হয়েছে। তাদের কাছে ভারতে প্রবেশের বৈধ কাগজপত্র ছিল কি না এবং তারা কীভাবে রায়দিঘিতে পৌঁছেছেন, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
এদিকে মুর্শিদাবাদ জেলার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী রাণীনগর থানার কাহারপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরও সাতজনকে আটক করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালানোর সময় সীমান্তবর্তী এলাকায় উদ্দেশ্যহীনভাবে ঘোরাফেরা করতে দেখে তাদের আটক করে পুলিশ।
জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তিরা বাংলাদেশের রাজশাহী জেলার বাসিন্দা বলে জানিয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, রাজমিস্ত্রির কাজের জন্য তারা অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেছিলেন। মুর্শিদাবাদ হয়ে তাদের চেন্নাই যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল। তবে সীমান্ত পার করে দেওয়ার পর দালাল পালিয়ে যাওয়ায় তারা বিপাকে পড়েন।
পরে ওই সাতজনকে লালগোলা হোল্ডিং সেন্টারে রাখা হয়েছে। তাদের ভারতে প্রবেশের পথ, সীমান্ত পারাপারে সহায়তাকারী এবং পরবর্তী গন্তব্য সম্পর্কে তদন্ত করছে পুলিশ।
একদিনে পশ্চিমবঙ্গের দুই জেলায় ১৭ বাংলাদেশি নাগরিক আটকের ঘটনায় সীমান্ত দিয়ে অবৈধ অনুপ্রবেশের বিষয়টি আবারও আলোচনায় এসেছে।