আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ২০:৫৪, ২৮ আগস্ট ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক রেড ক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটিগুলোর ফেডারেশন (আইএফআরসি) জানিয়েছে, দুর্যোগে অন্তত ৯৩ হাজার মানুষ সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এসব মানুষের জরুরি খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি, আশ্রয়, চিকিৎসা ও অন্যান্য মানবিক সহায়তা প্রয়োজন। দুর্গম পাহাড়ি এলাকা, বিধ্বস্ত সড়ক ও সেতু এবং যোগাযোগব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণ চিত্র এখনো পাওয়া যায়নি।
যেভাবে শুরু ভয়াবহ বিপর্যয়ের
প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, বুধবার হিমালয়ের নেপাল-তিব্বত সীমান্তবর্তী এলাকায় একটি বিশাল ভূমিধসের ঘটনা ঘটে। এতে বিপুল পরিমাণ পাথর, মাটি ও বরফ নিচের দিকে ধসে পড়ে। ভূমিধসের সঙ্গে একটি হিমবাহও সরে যায় বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এর ফলে পাহাড়ি নদীগুলোতে হঠাৎ বিপুল পরিমাণ পানি, কাদা, বরফ ও পাথরের স্রোত নেমে আসে।
কয়েক মিনিটের মধ্যেই সেই স্রোত নদীর গতিপথ ধরে নিচের উপত্যকা ও জনবসতিতে ছড়িয়ে পড়ে। গ্রাম, সড়ক, সেতু, বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং বিভিন্ন অবকাঠামো পানির তোড়ে ভেসে যায়। কোথাও কোথাও ঘরবাড়ি সম্পূর্ণ কাদার নিচে চাপা পড়ে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ঘটনা সাধারণ বন্যার চেয়ে অনেক বেশি ভয়াবহ ছিল। কারণ পাহাড়ের ওপর জমে থাকা বরফ, পাথর ও মাটির বিশাল স্তর একসঙ্গে নিচে নেমে আসায় তা নদীর পানির সঙ্গে মিশে এক ধরনের অত্যন্ত শক্তিশালী ধ্বংসাত্মক স্রোত তৈরি করে।
ফলে নদীর স্বাভাবিক গতিপথের আশপাশের এলাকাগুলোতে মানুষকে সতর্ক হওয়ার সুযোগও খুব কম ছিল।
নিহতের সংখ্যা বাড়ছেই
শুক্রবার পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, নেপালে অন্তত ৫৪৭ জন এবং চীনের তিব্বত অঞ্চলে আরও পাঁচজন নিহত হয়েছেন। সব মিলিয়ে মৃতের সংখ্যা ৫৫২ ছাড়িয়েছে। বিভিন্ন সংস্থা ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষের হিসাব সমন্বয়ের সঙ্গে সঙ্গে এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
তবে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন সংস্থার দেওয়া হিসাবের মধ্যে কিছু পার্থক্য রয়েছে। উদ্ধার অভিযান চলমান থাকায় নিখোঁজ ও মৃতের সংখ্যা দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। কিছু এলাকায় এখনো উদ্ধারকারী দল পৌঁছাতে পারেনি। ফলে প্রকৃত প্রাণহানির সংখ্যা আরও বেশি হওয়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো, নিখোঁজদের মধ্যে স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি বিপুলসংখ্যক বিদেশিও রয়েছেন। হিমালয়ের এই অঞ্চলটি তীর্থযাত্রী ও পর্যটকদের কাছে জনপ্রিয় হওয়ায় বিভিন্ন দেশের নাগরিক সেখানে অবস্থান করছিলেন।
নিখোঁজ প্রায় এক হাজার
দুর্যোগের পর থেকে স্থানীয় ও বিদেশি নাগরিক মিলিয়ে প্রায় এক হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন বলে রয়টার্স জানিয়েছে। নিখোঁজদের একটি বড় অংশ ছিলেন তিব্বতের কৈলাস-মানস সরোবর এলাকায় যাতায়াতকারী তীর্থযাত্রী ও পর্যটক।
যোগাযোগব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় অনেক মানুষের অবস্থান নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়েছে। মোবাইল নেটওয়ার্ক ও বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ায় দুর্গম এলাকার মানুষজন পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছেন না।
অনেক পরিবার এখনো তাদের স্বজনদের কোনো খবরের অপেক্ষায় রয়েছে। উদ্ধারকারীরা ধ্বংসস্তূপের নিচে জীবিত কাউকে পাওয়া যায় কি না, সে আশায় তল্লাশি চালিয়ে যাচ্ছেন।
নতুন করে বন্যার আশঙ্কা
দুর্যোগের সবচেয়ে বড় উদ্বেগ এখন শুধু উদ্ধারকাজ নয়, বরং নতুন করে বন্যার সম্ভাবনা। ভূমিধসের ফলে পাহাড়ি নদীর গতিপথে বাধ সৃষ্টি হয়ে একটি নতুন হ্রদের মতো জলাধার তৈরি হয়েছে। সেখানে বিপুল পরিমাণ পানি জমে যাওয়ায় বাঁধ ভেঙে আরও বড় বন্যা দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
শুক্রবার এই হ্রদের পানি বাড়তে থাকায় নেপাল ও চীনের উদ্ধারকারী দলকে সাময়িকভাবে অভিযান বন্ধ করতে হয়েছিল। পরে পানির উচ্চতা প্রত্যাশার তুলনায় কম হারে বাড়ছে এবং তাৎক্ষণিক ঝুঁকি কিছুটা নিয়ন্ত্রণযোগ্য বলে মনে হওয়ায় উদ্ধারকাজ আবার শুরু করা হয়।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হ্রদটির পানি একপর্যায়ে প্রায় ২৫ লাখ ঘনমিটারে পৌঁছেছিল। পরে সেটি উপচে পড়ে নিচের নদীতে পানি প্রবাহিত হতে শুরু করে। এতে নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং ত্রাণবাহী যানবাহনও আটকা পড়ে।
উদ্ধার অভিযানে বড় বাধা
দুর্যোগের পর নেপাল সরকার সেনাবাহিনী, পুলিশ ও অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনীকে উদ্ধার অভিযানে নামিয়েছে। হেলিকপ্টারের মাধ্যমে দুর্গম এলাকায় উদ্ধার, খাবার ও চিকিৎসাসামগ্রী পৌঁছানোর চেষ্টা চলছে।
কিন্তু পাহাড়ি এলাকায় সড়ক ও সেতু ধ্বংস হয়ে যাওয়ায় অনেক এলাকায় স্থলপথে পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে না। কোথাও পুরো রাস্তা কাদার নিচে চলে গেছে, আবার কোথাও সেতু ভেসে যাওয়ায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে।
উদ্ধারকারীদের জন্য আরেকটি বড় সমস্যা হলো ভূমিধসের ঝুঁকি। একটি জায়গায় উদ্ধার অভিযান চালানোর সময় হঠাৎ নতুন করে মাটি ও পাথর ধসে পড়তে পারে। ফলে উদ্ধারকারীদের অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে কাজ করতে হচ্ছে।
স্যাটেলাইট ছবিতেও বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের চিত্র পাওয়া গেছে। কিছু গ্রাম ও সড়কের বড় অংশ কাদা ও পানির নিচে চলে গেছে। অন্তত ১৯টি সেতু এবং প্রায় ৪০ কিলোমিটার সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে বলে আলজাজিরার প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থায় সংকট
দুর্যোগের কারণে স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাও বড় ধরনের চাপের মুখে পড়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, ভূমিধসে অন্তত ছয়টি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আটজন স্বাস্থ্যকর্মী এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।
দুর্যোগের পর হাজার হাজার মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য অন্যত্র চলে যেতে বাধ্য হয়েছেন। এতে আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে অতিরিক্ত মানুষের চাপ তৈরি হয়েছে। বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশন ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ডায়রিয়া, শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণসহ বিভিন্ন রোগ ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে বলে সতর্ক করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক ও আহতদের জন্য পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে উঠেছে। চিকিৎসা সরঞ্জাম ও ওষুধ পৌঁছে দিতে দুর্গম এলাকায় বিমান ও হেলিকপ্টারের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে।
৯৩ হাজার মানুষের জরুরি সহায়তা প্রয়োজন
আইএফআরসি জানিয়েছে, দুর্যোগে অন্তত ৯৩ হাজার মানুষ সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। দুর্গম এলাকায় ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ হিসাব এখনো করা সম্ভব না হওয়ায় এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।
আইএফআরসির প্রতিনিধি দলের প্রধান ডেভিড ফিশার বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের ব্যাপক সহায়তা প্রয়োজন। বিশেষ করে দ্বিতীয় দফার বন্যার আশঙ্কা তাদের উদ্বিগ্ন করে তুলেছে।
রেড ক্রসের পক্ষ থেকে জরুরি ত্রাণ, আশ্রয়, নগদ সহায়তা, পানি, স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যসেবা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর স্বজনদের সঙ্গে যোগাযোগ পুনঃস্থাপন এবং নিখোঁজদের সন্ধানেও কাজ করছে মানবিক সংস্থাগুলো।
বিদেশি পর্যটক ও তীর্থযাত্রীদের নিয়ে উদ্বেগ
নেপাল-তিব্বত সীমান্তের এই অঞ্চলটি শুধু স্থানীয় জনগণের জন্য নয়, আন্তর্জাতিক পর্যটন ও ধর্মীয় ভ্রমণের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে ভারতের বহু তীর্থযাত্রী কৈলাস-মানস সরোবর যাত্রার জন্য এই রুট ব্যবহার করেন।
দুর্যোগের সময় ওই এলাকায় থাকা বহু বিদেশির সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। বিভিন্ন দেশের নাগরিক নিখোঁজ থাকার খবর পাওয়া গেছে। ফলে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর দূতাবাসগুলোও তাদের নাগরিকদের অবস্থান জানতে নেপাল ও চীনা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করছে।
এতে উদ্ধারকাজের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিখোঁজদের পরিচয় শনাক্ত এবং পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করাও বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে নতুন প্রশ্ন
এই বিপর্যয়ের পর হিমালয়ে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব নিয়েও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিজ্ঞানীরা দীর্ঘদিন ধরে সতর্ক করে আসছেন, বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় হিমালয় দ্রুত উষ্ণ হচ্ছে। তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে হিমবাহ গলে যাওয়া এবং পাহাড়ের ওপর বরফ ও মাটির স্থিতিশীলতা কমে যাওয়ার ঝুঁকি বাড়ছে।
তবে বর্তমান দুর্যোগের সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তনের সরাসরি সম্পর্ক এখনো নিশ্চিতভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়নি। বিজ্ঞানীরা ঘটনাটির ভূতাত্ত্বিক কারণ, হিমবাহের ভূমিকা এবং পানির আকস্মিক প্রবাহ নিয়ে আরও গবেষণা করছেন।
প্রাথমিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ভূমিধসের শক্তি এতটাই প্রবল ছিল যে এতে ভূকম্পনযন্ত্রে প্রায় ৫ দশমিক ২ মাত্রার কম্পনের মতো সংকেত ধরা পড়ে। এত বিপুল পরিমাণ পাথর, বরফ ও মাটি একসঙ্গে নেমে আসার কারণেই এই শক্তিশালী ধ্বংসযজ্ঞ তৈরি হয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।
দুর্যোগ এখনো শেষ হয়নি
জাতিসংঘের দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস দপ্তরের প্রধান কমল কিশোর সতর্ক করে বলেছেন, এই দুর্যোগকে এখনো শেষ হয়ে যাওয়া ঘটনা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। কারণ একটি বিপর্যয়ের পর আরেকটি বিপর্যয় সৃষ্টি হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।
ভূমিধসের কারণে নদীর গতিপথ পরিবর্তন, নতুন হ্রদ সৃষ্টি, পাহাড়ি ঢালে অস্থিতিশীলতা এবং অতিরিক্ত পানি—সব মিলিয়ে পরিস্থিতি এখনো অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।
একটি হ্রদের বাঁধ ভেঙে পানি উপচে পড়ার ঘটনায় এরই মধ্যে উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে হয়েছে। ফলে ত্রাণ পৌঁছানো এবং নিখোঁজদের সন্ধানের পাশাপাশি নতুন বন্যা প্রতিরোধে কর্তৃপক্ষকে একযোগে কাজ করতে হচ্ছে।
সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ পুনর্বাসন
উদ্ধার অভিযান শেষ হলেও নেপালের জন্য সংকট শেষ হবে না। ধ্বংস হওয়া বাড়িঘর, সড়ক, সেতু, বিদ্যুৎকেন্দ্র ও যোগাযোগব্যবস্থা পুনর্নির্মাণে দীর্ঘ সময় লাগবে।
হাজার হাজার মানুষকে সাময়িক আশ্রয় থেকে স্থায়ীভাবে পুনর্বাসন করতে হবে। একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষি, ব্যবসা ও পর্যটন খাতকে পুনরায় সচল করতে বড় ধরনের বিনিয়োগ প্রয়োজন হবে।
সবচেয়ে বড় বিষয়, হিমালয়ের দুর্গম এলাকায় ভবিষ্যতে এ ধরনের বিপর্যয় মোকাবিলায় আগাম সতর্কতা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করা জরুরি। নদীর গতিপথ, হিমবাহ ও হ্রদের পানির স্তর পর্যবেক্ষণ এবং স্থানীয় জনগণকে দ্রুত সতর্ক করার ব্যবস্থা না থাকলে ভবিষ্যতে একই ধরনের ঘটনা আরও বড় মানবিক বিপর্যয় তৈরি করতে পারে।
নেপালের বর্তমান পরিস্থিতি তাই শুধু একটি ভয়াবহ ভূমিধস বা বন্যার ঘটনা নয়; এটি হিমালয় অঞ্চলের দুর্যোগ ঝুঁকি, জলবায়ু পরিবর্তন, পাহাড়ি অবকাঠামো এবং মানবিক প্রস্তুতির সীমাবদ্ধতারও বড় উদাহরণ হয়ে উঠেছে।
এখন উদ্ধারকারীদের প্রধান লক্ষ্য নিখোঁজদের সন্ধান, জীবিতদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া এবং ক্ষতিগ্রস্ত ৯৩ হাজার মানুষের কাছে জরুরি সহায়তা পৌঁছে দেওয়া। পাশাপাশি নতুন কোনো হ্রদের বাঁধ ভেঙে দ্বিতীয় দফার বন্যা যেন আরও প্রাণহানি ও ধ্বংস ডেকে না আনে, সেটিই এখন নেপাল ও তিব্বতের জন্য সবচেয়ে বড় উদ্বেগ।