এইচভি নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ: ০৯:১৯, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ০৩:৫৫, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত
বাংলাফ্যাক্টের অনুসন্ধান টিম জানায়, হামলার বিভিন্ন ভিডিও বিশ্লেষণ করে ওই পাঁচজনের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে। তাদের দাবি, শনাক্ত ব্যক্তিরা ইতালিতে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত।
বাংলাফ্যাক্ট জানায়, গতকাল ইতালিতে একটি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে অংশ নিতে অবস্থান করা আজমেরী হক বাঁধন তাঁর ভাইয়ের সঙ্গে রাস্তায় বের হলে একদল ব্যক্তি তাঁকে হেনস্তা করেন। এ ঘটনার বিভিন্ন ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে দেশ-বিদেশে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিও ওঠে।
বাংলাফ্যাক্টের প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশের ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের আন্দোলনের সময় আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে এবং শিক্ষার্থীদের দাবির পক্ষে সোচ্চার ছিলেন অভিনেত্রী বাঁধন। ওই আন্দোলন দমনে সরকারের বিরুদ্ধে হত্যা ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ ওঠে।
ফ্যাক্টচেকিং প্রতিষ্ঠানটির ভাষ্য, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর দেশ ও বিদেশ থেকে পরিচালিত বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্ট এবং কিছু ফেসবুক পেজে বাংলাদেশকে ঘিরে নানা ধরনের ভুয়া ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর প্রবণতা বেড়েছে। এসব অপতথ্যের একটি অংশ বিগত অন্তর্বর্তী সরকার, ২০২৪ সালের আন্দোলনে অংশ নেওয়া বিভিন্ন দল ও সংগঠনকে লক্ষ্য করে ছড়ানো হয়েছে।
পাশাপাশি সাম্প্রতিক বিভিন্ন ইস্যুতে বিএনপি ও বিএনপি সরকারের বিরুদ্ধে গুজব ও মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেষ্টার কথাও জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
বাংলাফ্যাক্টের পরিচয়
‘বাংলাফ্যাক্ট’ হলো প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি)-এর ফ্যাক্টচেক, মিডিয়া রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস টিম। প্রতিষ্ঠানটি নিয়মিতভাবে বিভিন্ন ভুল, বিভ্রান্তিকর ও মিথ্যা তথ্য যাচাই করে সত্যতা তুলে ধরার পাশাপাশি গণমাধ্যম ও সংবাদ নিয়ে গবেষণা করে।
বাংলাফ্যাক্টের দাবি, ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়া শত শত ভুল তথ্য তারা শনাক্ত করেছে। বাংলাদেশে প্রচলিত গুজব, ভুয়া খবর ও অপতথ্য প্রতিরোধের পাশাপাশি জনগণের কাছে সঠিক তথ্য পৌঁছে দিতে প্রতিষ্ঠানটি কাজ করছে।
এদিকে বাঁধনের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের পরিচয় শনাক্তের দাবির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য বা ইতালির আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।